বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
গাইবান্ধায় জোরপূর্বক বিয়ে রেজিস্ট্রির অভিযোগে কাজী মাওলানা আব্দুল হামিদ কারাগারে মে দিবস আসে, মে দিবস যায়— শ্রমিকের ভাগ্য বদলায় না কেন? মহান মে দিবস আজ, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন ৯৬ খাতে ন্যূনতম মজুরি নেই, উন্নয়নের আড়ালে শ্রমিকের বঞ্চনা বেশি জুম করবেন না, পাপারাজ্জিদের কারিশমা কাপুর তারাগঞ্জে পাচারকালে ৪০০ লিটার তেল জব্দ-ইউএনও’র তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা অভিযোগে জর্জরিত অধ্যক্ষের বদলি, লালমনিরহাট টিটিসিতে স্বস্তির আভাস ‎একই পরিবারের ৫ জনের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ, বাড়িছাড়া হয়ে মানবেতর জীবন রংপুরের তারাগঞ্জে প্রেম করে বিয়ে, বাবার বাড়িতে গিয়ে শিকলবন্দী কিশোরী কলেজে হাঁটুপানি, এবার পা তুলে দিলেন অনার্সের ফাইনাল পরীক্ষা
মহিপুরে দাঁতের ডাক্তার হারুন দেন চোখের চিকিৎসা

মহিপুরে দাঁতের ডাক্তার হারুন দেন চোখের চিকিৎসা

নিজস্ব প্রতিবেদক::পটুয়াখালীর মহিপুর সদরের এশিয়া ডেন্টাল ক্লিনিকে চলছে অনিয়মিত চিকিৎসা কার্যক্রম। দাঁতের ডাক্তার হিসেবে পরিচিত হলেও নামের আগে ডাক্তার শব্দ ব্যবহার করেন হারুন-অর-রশীদ। রোগীদের কাছ থেকে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা ভিজিট ফি নিয়ে ভুয়া চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়রা জানান, হারুন দাঁতের চিকিৎসক হলেও ভাইয়ের ব্যবস্থাপত্রে চোখের চিকিৎসা দিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। এতে প্রতারিত হচ্ছেন অনেক রোগী।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আদনান (৪) নামের এক শিশুকে চিকিৎসা করাতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হন তার পরিবার। শিশুটিকে চোখের সমস্যা নিয়ে নিয়ে গেলে ডাঃ আব্দুল হাকিমের নামে প্রেসক্রিপশন লিখে দেন তার ভাই হারুন।

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা শাহ-জাহান কাজী বলেন, ‘হারুন দাঁতের চিকিৎসাতেও ভুল করেছেন। সেরাজপুরের এক রোগীর ভালো দাঁত তুলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।’ তিনি সরাসরি চিকিৎসা দেন না। ভাইয়ের নির্দেশনা মোবাইল ফোনে নিয়ে তা প্রেসক্রিপশনে লিখেন বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে মহিপুরের সোহেল হাওলাদার জানান, ‘আমরা জানি সে দাঁতের চিকিৎসা দেয়। কিন্তু ভাইয়ের প্রেসক্রিপশনে চোখের চিকিৎসা দেওয়াটা ভয়ংকর প্রতারণা।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত হারুন অর রশিদ এর মুঠোফোনে একাধিক বার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে আব্দুল হাকিমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় জানার পর ফোন কেটে দেন এবং সরাসরি সাক্ষাৎ করতে বলেন।

কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শংকর প্রসাদ অধিকারী বলেন, ‘একজন চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনে অন্য কেউ চিকিৎসা দেওয়ার সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।’

পটুয়াখালী সিভিল সার্জন ডাঃ খালেদুর রহমান মিয়া বলেন, ‘অন্যের প্রেসক্রিপশন ব্যবহার করে চিকিৎসা দেওয়া অপরাধ। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

ভুক্তভোগী রোগী ও সচেতন মহল অবিলম্বে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগকে জরুরি তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com